সিয়াম, ইফতার, পানাহার, মেহমানদারি (পর্ব – ১)

সিয়াম, ইফতার, পানাহার, মেহমানদারি পর্ব ১-02

যিকর নং ১৭৭: সিয়াম শুরুর যিকর  সিয়ামের শুরুতে কোনো মাসনূন যিকর নেই। তবে সিয়াম শুরুর পূর্বের রাতেই- সিয়ামের জন্য ‘নিয়্যাত’ করা যরুরী। মনের মধ্যে জাগরুক উদ্দেশ্যকে নিয়্যাত বলে। সিয়ামের পূর্বে রাতে শয়নের আগে বা সাহরির সময় মুমিনের মনের মধ্যে সিয়াম পালনের যে ইচ্ছা সেটিই নিয়্যাত। “নাওয়াইতুআন” বলে বা অন্য কোনোভাবে মুখে নিয়্যাত করা খেলাফে সুন্নাত। […]

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন (শেষ পর্ব – ০৭)

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন পর্ব ৭

কুরআন বাদ দিয়ে সিয়াম পালন করার কারণেই আমরা প্রকৃত তাকওয়া অর্জন করতে পারছি না। রামাদানে যতটুকু আমরা কুরআন চর্চা করছি, ততটুকুও যদি বুঝে করতাম তাহলে অনেক বেশি তাকওয়া অর্জন করতে পারতাম। আমরা দিবসে তিলাওয়াতে এবং তারাবীহে, ইশা, ফজরে বা মাগরিবে ইমামের মুখে কুরআনের ভাষায় পিতামাতা, এতিম, প্রতিবেশী, দরিদ্র ও অন্যদের অধিকারের কথা, হক্ক কথা ও […]

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন (পর্ব – ০৬)

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন পর্ব ৬

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন (পর্ব – ০৬) ______________________ আল্লাহর কিতাব পাঠ করাকে কুরআন কারীমে ‘তিলাওয়াত’ বলা হয়েছে, কারণ তিলাওয়াত অর্থ পিছে চলা বা অনুসরণ করা। শুধুমাত্র না বুঝে পাঠ করলে তিলাওয়াত হয় না। তিলাওয়াত মানে পাঠের সময় মন পঠিত বিষয়ের পিছে চলবে, এরপর জীবনটাও তার পিছে চলবে। আল্লাহ বলেন:  الَّذِينَ آَتَيْنَاهُمُ الْكِتَابَ يَتْلُونَهُ حَقَّ تِلاوَتِهِ […]

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন (পর্ব – ০৪)

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন পর্ব ৪

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন (পর্ব – ০৪) ______________________ মুমিনের অন্যতম ইবাদত কুরআন তিলাওয়াত করা। আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ যিকির কুরআন তিলাওয়াত। কুরআন কারীমের একটি আয়াত শিক্ষা করা ১০০ রাক‘আত নফল সালাতের চেয়েও উত্তম বলে হাদীস শরীফে বলা হয়েছে। সারা বৎসরই তিলাওয়াত করতে হবে। বিশেষত রামাদানে বেশি তিলাওয়াত করা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিশেষ সুন্নাত, যাতে অতিরিক্ত সাওয়াব ও […]

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন (পর্ব – ০৩)

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন (পর্ব – ০৩) ______________________ সিয়াম ফরয করার উদ্দেশ্য সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ “হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর সিয়াম লিপিবদ্ধ (ফরয) করা হয়েছে, যেরূপভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর তা লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।” আমরা দেখেছি, আল্লাহ বলেছেন যে, সিয়ামের মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন হবে। তাকওয়া অর্থ হলো হৃদয়ের মধ্যে আল্লাহর অসন্তুষ্টি […]

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন (পর্ব – ০২)

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন (পর্ব – ০২) ______________________ প্রতি মাসে তিন দিন সিয়াম ছাড়াও যথাসম্ভব বেশি বেশি নফল সিয়াম পালনে উৎসাহ দিয়েছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম; কারণ সিয়াম একটি তুলনাবিহীন ইবাদত। আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে একটি আমল শিখিয়ে দিন। তিনি বলেন- عَلَيْكَ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لا عَدْلَ لَهُ […]

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন (পর্ব – ০১)

সিয়াম, রামাদান ও কুরআন

প্রভাত (সুবহে সাদেক) থেকে সূর্যাস্ত (মাগরিব) পর্যন্ত আল্লাহর এবাদত  ও সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পানাহার, দাম্পত্য মিলন ইত্যাদি সকল সিয়াম বা রোযা ভঙ্গকারী কর্ম থেকে বিরত থাকা হল সিয়াম বা রোযা।

চার রাত্রিতে ভাগ্য লিখন

চার রাত্রিতে ভাগ্য লিখন

আয়েশার রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে কথিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: يَنْسِخُ اللهُ فِيْ أَرْبَعِ لَيَالٍ الآَجَالَ وَالأَرْزَاقَ: فِيْ لَيْلَةِ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ وَالأَضْحَى وَالْفِطْرِ وَلَيْلَةِ عَرَفَةَ “মহান আল্লাহ্ চার রাতে হায়াত, মওত ও রিয্ক লিপিবদ্ধ করেন। মধ্য শাবান, ঈদুল আযহা, ঈদুল ফিতর ও আরাফার রাতে।” এ হাদীসটি ইবনু হাজার আসক্বালানী (৮৫৫ হি) তাঁর যয়ীফ ও মিথ্যাবাদী রাবীদের জীবনীগ্রন্থ ‘লিসানুল মীযান’-এ উল্লেখ করেছেন। তিনি আহমদ ইবনু কা’ব আল ওয়াছেতী নামক ৪র্থ হিজরী শতাব্দীর […]

মধ্য-শা’বানের রাত্রিতে ভাগ্যলিখন বিষয়ক হাদীসসমূহ

মধ্য-শা’বানের রাত্রিতে ভাগ্যলিখন বিষয়ক হাদীসসমূহ

মধ্য-শা’বানের রাত্রি বা লাইলাতুল বারাআতের ফযীলতে বর্ণিত দ্বিতীয় প্রকার হাদীসগুলিতে এ রাত্রিতে হায়াত-মওত ও রিযক নির্দ্ধারণের কথা উল্লেখ রয়েছে। এই অর্থে বর্ণিত হাদীসগুলির মধ্যে রয়েছে: হাদীস নং ১০: জন্ম-মৃত্যু লিখা, কর্ম উঠানো ও রিয্ক প্রদান আয়েশার রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে কথিত যে, মধ্য শা’বানের রাত্রিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে বলেন, তুমি কি জান আজকের […]

মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর রিসালাতে অবিশ্বাস

মুহাম্মাদ সা.-এর রিসালাতে অবিশ্বাস

মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর রিসালাতে বিশ্বাসের অর্থ ও বিষয়বস্তু আমরা পূর্ববর্তী অধ্যায়ে আলোচনা করেছি। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ব্যক্তিত্ব, মর্যাদা, মহত্ত্ব, রিসালাত, নুবুওয়াত, নুবুওয়াতের পূর্ণতা, প্রচার ও তাবলীগের পূর্ণতা, নুবুওয়াতের বিশ্বজনীনতা, স্থায়িত্ব, সমাপ্তি, মুক্তির একমাত্র পথ ইত্যাদি কোনো বিষয়ে অস্বীকার, অবিশ্বাস বা সন্দেহ এ পর্যায়ের কুফর। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা কিছু বলেছেন তার কোনো বিষয়কে মিথ্যা বা সন্দেহযুক্ত বলে মনে করাও একই পর্যায়ের কুফর। এ পর্যায়ের […]

ইবাদতের একত্বে অবিশ্বাস

ইবাদতের একত্বে অবিশ্বাস

আমরা দেখেছি যে, তাওহীদের চূড়ান্ত পর্যায় তাওহীদুল উলূহিয়্যাত বা তাওহীদুল ইবাদাত। সকল নবী-রাসূল ইবাদতের তাওহীদের দা‘ওয়াত দিয়েছেন। তাঁরা সকলেই বলেছেন, একমাত্র আল্লাহর ইবাদত কর এবং আল্লাহ ছাড়া যাদের ইবাদত করা হয় তাদের ইবাদত বর্জন কর। আল্লাহর ইবাদতের একত্বে অস্বীকার করা, তাঁর মা‘বূদ হওয়ার বিষয়ে সন্দেহ বা অবিশ্বাস পোষণ করা বা অন্য কেউ কোনোরূপ ইবাদত পাওয়ার যোগ্য আছে বলে […]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মর্যাদায় বিশ্বাস

রাসূলুল্লাহ এর মর্যাদায় বিশ্বাস-02

রিসালাতের সাক্ষের অবিচ্ছেদ্য অংশ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম —এর মর্যাদায় বিশ্বাস করা ও তাঁকে সম্মান করা। তিনি সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ, মানবজাতির নেতা, নবী—রাসূলদের প্রধান। তিনি আল্লাহর প্রিয়তম বান্দা, তাঁর হাবীব, তাঁর সবচেয়ে সম্মানিত বান্দা, সর্বযুগের সকল মানুষের নেতা। অন্যান্য নবী—রাসূলের সাধারণ মর্যাদা সবই তিনি লাভ করেছেন। তিনি নিষ্পাপ, মনোনীত ও সকল কলুষতা থেকে মুক্ত […]

তাকদীর বা আল্লাহর নির্ধারণে বিশ্বাস (সর্বশেষ পর্ব-৪)

Takdir4

তাকদীরের প্রকৃত ও পূর্ণতম বিশ্বাস ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—এর। তাঁর পরে তাঁর সাহাবিগণের। আর তাঁদের জীবনের দিকে তাকালেই আমরা বুঝতে পারি যে, তাকদীরের বিশ্বাস কীভাবে মানুষকে কর্মবীর ও প্রত্যয়ী করে তোলে। তাকদীরের পূর্ণতম বিশ্বাস ছিল নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—এর। আর তাই তিনি ছিলেন মানব ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম দৃঢ়প্রত্যয়ী কর্মবীর। তিনি তাঁর সাধ্যমতো কর্ম করেছেন, আল্লাহর […]

তাকদীর বা আল্লাহর নির্ধারণে বিশ্বাস (পর্ব-৩)

Takdir3

ইসলামি তাকদীরে বিশ্বাস ও অনৈসলামিক ভাগ্যে বিশ্বাসকে অনেকে এক করে ফেলেন। অনেকে মনে করেন ভাগ্য অনুসারেই যখন সবকিছু হবে তখন কর্মের কী দরকার! এটি পুরোপুরি ইসলাম বিরোধী বিশ্বাস। কুরআন কারীমের বর্ণনায় আমরা দেখতে পাই যে, মক্কার কাফিরগণ এ ধরণের বিশ্বাস পোষণ করত। যে অবিশ্বাসী তাকদীর নিয়ে বিবাদ করে, তাকদীরের দোহাই দিয়ে কর্ম ছেড়ে দেয় সে মূলত […]

তাকদীর বা আল্লাহর নির্ধারণে বিশ্বাস (পর্ব-২ )

Takdir 2

  মুমিন আরো বিশ্বাস করেন যে, বিশ্বের সবকিছু একমাত্র আল্লাহরই সৃষ্টি। তিনি ছাড়া সবই তাঁর সৃষ্ট। মানুষের কর্মও আল্লাহর সৃষ্টি। বিশ্বে যাকিছু সংঘটিত হয় সবই মহান আল্লাহর ইচ্ছা ও জ্ঞানের মধ্যে। তাঁর ইচ্ছা ও জ্ঞানের বাইরে এই মহাবিশ্বের কোথাও সামান্যতম কোনো কিছুই ঘটে না।   সর্বোপরি মুমিন বিশ্বাস করেন যে, মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা ও কর্মক্ষমতা […]

তাকদীর বা আল্লাহর নির্ধারণে বিশ্বাস (পর্ব-১)

তাকদীর

তাকদীর অর্থ নির্ধারণ। তাকদীরে বিশ্বাস অর্থ আল্লাহর জ্ঞান, লেখন, সৃষ্টি, ইচ্ছা ও ন্যায় বিচারে বিশ্বাস স্থাপন করা। মুমিন বিশ্বাস করেন যে, আল্লাহর জ্ঞান অসীম, অনন্ত ও সর্বব্যাপী। তিনি অনাদিকাল থেকে সৃষ্টির সকল বিষয় জানেন। সৃষ্টির আগেই জানেন কখন কোথায় কী ঘটবে ও কীভাবে ঘটবে। মুমিন আরো বিশ্বাস করেন যে, আল্লাহ তাঁর অসীম জ্ঞান লাওহে মাহফূয বা সংরক্ষিত পত্রে লেখে রেখেছেন। আল্লাহর […]

ইবাদত কবুলের শর্ত

ইবাদত কবুলের শর্ত

কুরআন ও হাদীসের নির্দেশনা থেকে আমরা জানতে পারি যে, আল্লাহর দরবারে ইবাদত কবুল বা গৃহীত হওয়ার জন্য তিনটি মৌলিক শর্ত রয়েছে:
(১). বিশুদ্ধ ঈমান ও ইখলাস: র্শিক, কুফ্র ও নিফাক-মুুক্ত বিশুদ্ধ ঈমান ইবাদত কবুল হওয়ার পূর্ব শর্ত। উপরন্তু ইবাদতটি পরিপূর্ণ ইখলাসের সাথে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হতে হবে। আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কোনো রকম উদ্দেশ্যর সামান্যতম সংমিশ্রণ থাকলে সে ইবাদত আল্লাহ কবুল করবেন না।

সুন্নাতের নামে সুন্নাতের বিরোধিতা

সুন্নাতের নামে সুন্নাতের বিরোধিতা

পোশাকী অনুকরণের ক্ষেত্রে তৃতীয় বিভ্রান্তি

সুন্নাতের নামে সুন্নাত বিরোধিতা বা সুন্নাতসম্মত পোশাক সুন্নাত বিরোধী পদ্ধতিতে ব্যবহার করা।
সকল বিষয়ের ন্যায় পোশাক পরিচ্ছদের ক্ষেত্রেও অনুকরণের পর্যায় ও গুরুত্ব সুন্নাতের আলোকে বুঝতে হবে। তিনি যে বিষয়কে কম গুরুত্ব দিয়েছেন তাকে বেশি গুরুত্ব দিলে বা তিনি যা কখনো কখনো করেছেন তা সর্বদা করলে তাঁর সুন্নাতের বিরোধিতা করা হয়। পদ্ধতিগত বা গুরুত্বগত ব্যতিক্রম বা বিরোধিতা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে কঠিনভাবে আপত্তি করেছেন এবং একে ‘তাঁর সুন্নাত অপছন্দ করা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। “এহইয়াউস সুনান” গ্রন্থে আমি এবিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

মি‘রাজ পর্ব-৬

miraj6

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রভাতের দিকে মক্কায় ফিরে আসেন। আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি সারারাত কোথায় ছিলেন, আমি রত্রিবেলায় আপনাকে খুঁজেছিলাম, কিন্তু পাইনি। তিনি তাঁকে মিরাজের কথা জানান। আবূ বাক্র সর্বান্তকরণে বিশ্বাস করেন। দিবসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসরার বিষয় আবূ জাহল ও অন্যান্য কাফিরকে জানালে তারা তাদের অভ্যাসমত তা অস্বীকার করে। উপরন্তু এ বিষয়কে […]

হুবহু অনুকরণ বনাম আংশিক অনুকরণ

হুবুহু অনুকরণ বনাম আংশিক অনুকরণ

পোশাকের ক্ষেত্রে হুবহু অনুকরণ করাকে গুরুত্ব দেওয়া অথচ ইবাদত বন্দেগীর ক্ষেত্রে হুবহু অনুকরণকে গুরুত্বহীন বলে মনে করা। আমাদের দেশে অনেক ধার্মিক মানুষ পোশাকের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হুবহু অনুকরণ করেন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে। কিন্তু ইবাদত বন্দেগীর ক্ষেত্রে এভাবে হুবহু অনুকরণ করা প্রয়োজনীয় মনে করেন না। তাঁরা তাঁদের টুপি, পাগড়ি, জামা, পাজামা ইত্যাদি অবিকল […]

মি‘রাজ পর্ব-৫

miraj5

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  মিরাজের রাত্রিতে আল্লাহকে দেখেছিলেন কি না সে বিষয়ে সাহাবীগণের যুগ থেকে মতভেদ রয়েছে। সূরা নাজমের ব্যাখ্যায় হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  তাঁর অন্তর দিয়ে দুবার তার রব্বকে দেখেছিলেন। এ মতের অনুসারী সাহাবী—তাবিয়ীগণ বলেছেন যে, মহান আল্লাহ মূসা আলাইহিস সালাম—কে তাঁর সাথে কথা বলার মুজিযা […]

মি‘রাজ পর্ব-২

miraj

মি‘রাজের বিষয় কুরআন কারীমে সূরা নাজমেও আল্লাহ উল্লেখ করেছেন। এ সূরার শুরুতে আল্লাহ বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবরাঈল আলাইহিস সালাম থেকে ওহী লাভ করেন এবং তিনি জিবরাঈল আলাইহিস সালাম-কে তাঁর প্রকৃত আকৃতিতে দেখেছেন। এরপর মিরাজের রাত্রিতে সিদরাতুল মুনতাহার নিকট জিবরাঈলকে পুনরায় স্বআকৃতিতে দর্শন এবং আল্লাহর অবর্ণনীয় নিয়ামত দর্শনের বিষয়ে আল্লাহ বলেন: أَفَتُمَارُونَهُ عَلَى […]

মি‘রাজ পর্ব-১

miraj

মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয়তম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—কে যত মুজিযা দিয়েছেন সেগুলির অন্যতম এক মুজিযা হলো ইসরা ও মি‘রাজ। “ইসরা” অর্থ “নৈশ—ভ্রমন” বা “রাত্রিকালে ভ্রমণ করানো।” আর ‘মি‘রাজ’ অর্থ “ঊর্ধ্বারোহণ” বা “উর্ধক্ষারোহণের যন্ত্র”। মহান আল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—কে এক রাত্রিতে মক্কা মুআজ্জামা থেকে ফিলিস্তিনের ‘আল—মাসজিদুল আকসা’ পর্যন্ত নিয়ে যান। এরপর সেখান থেকে ঊর্ধ্বে ৭ […]

নিজের জন্য নিজে দু‘আ করা

নিজের জন্য ‍নিজে দু’আ করা

অনেকে নিজের জন্য নিজে আল্লাহর দরবারে দু‘আ চাওয়ার চেয়ে অন্য কোনো বুযুর্গের কাছে দু‘আ চাওয়াকেই বেশি উপকারী বলে মনে করেন। পিতামাতা, উস্তাদ, আলিম বা নেককার কোনো জীবিত মানুষের কাছে দু‘আ চাওয়া জায়েয। তবে নিজের দু‘আ নিজে করাই সর্বোত্তম। আমরা অনেক সময় মনে করি, আমরা গুনাহগার, আমাদের দু‘আ কি আল্লাহ শুনবেন?