As-Sunnah Trust

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি

প্রশ্নোত্তর 780

প্রশ্ন

আসসালামুয়ালাইকুম। সম্প্রতি ডাঃ জাকির নায়েক এর এক প্রশ্ন উত্তর নিয়ে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মতামত দিচ্ছেন। প্রশ্নটি হচ্ছে মহানবী সাঃ এর কাছে শাফাআত চাওয়া নিয়ে। বোখারী শরীফে (তাহহিদ প্রকাশনী) আছেঃ হাদিস নং-৩৩৫। জাবির ইব্নু আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বলেনঃ আমাকে এমন পাঁচটি বিষয় দান করা হয়েছে, যা আমার পুর্বে কাউকেও দান করা হয়নি। (১) আমাকে এমন প্রভাব দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে যে, একমাস দূরত্বেও তা প্রতিফলিত হয়; (২) সমস্ত যমীন আমার জন্য পবিত্র ও সালাত আদায়ের উপযোগী করা হয়েছে। কাজেই আমার উম্মতের যে কোন লোক ওয়াক্ত হলেই সালাত আদায় করতে পারবে; (৩) আমার জন্য গানীমাতের মাল হালাল করে দেওয়া হয়েছে, যা আমার পূর্বে আর কারো জন্য হালাল করা হয়নি; (৪) আমাকে (ব্যাপক) শাফাআতের অধিকার দেওয়া হয়েছে (৫) সমস্ত নবী প্রেরিত হতেন কেবল তাঁদের সম্প্রদায়ের জন্য, আর আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে সমগ্র মানব জাতির জন্য। (৪৩৮, ৩১২২; মুসলিম ৫/১, হাঃ ৫২১ আহমাদ ১৪২৬৮) (আ.প্র. ৩২৩, ই.ফা. ৩২৮) প্রশ্নঃ মহানবী সাঃ এর কাছে শাফাআত চাওয়া যাবে কিনা? চাইলে শিরক হবে কিনা?

উত্তর

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মহানবী সা. এর কাছে শাফায়াত চাওয়া যাবে না। তেমনি অন্য কোন ওফাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছেও শাফায়াত চাওয়া যাবে না। মানুষ মারা গেলে তার কোন কিছু করার ক্ষমতা থাকে না। কারো কথাও শুনতে পারে না। সুতরাং এটিা শিরক হবে । দলীলসহ বিস্তারিত জানতে দেখুন: আল-ইসলাম, সুয়াল ও জওয়াব, মুহাম্মাদ সালেহ আলমুনাজ্জিদ, ফতোয়া নং ১৩২৬২৪ (আরবী)। উক্ত হাদীসের ব্যাখ্যাসহ শাফায়াত বিষয়ে বিস্তারিত জানতে দেখুন, ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা, পৃষ্ঠা নং ৩২১-৩২৮।