As-Sunnah Trust

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি

প্রশ্নোত্তর 395

প্রশ্ন

আস-সালামু আলাইকুম, আমাদের এখানে একজন বক্তা বলছেন যে, রসূলুল্লাহ (স:) ৪০ বছর বয়সে নবুয়ত পেয়েছে এ কথাটি সম্পূর্ন ভুল। তিনি বলেন রসূলুল্লাহ(স:) নবুয়ত পেয়েছিলেন তখন যখন আদম (আঃ) কেও সৃষ্টি করা হয় নি। কিন্ত একজনকে জীঞ্জাসা করায় তিনি বললেন ৫ টি জগৎ আছে রসূল(সঃ) রূহের জগতে সবার আগে নবুয়ত পেয়েছিলেন কিন্ত দুনিয়ার জগতে ৫৭০ খৃঃ জন্ম গ্রহন করার পর ৪০বছর বয়সে ৬১০খৃঃ নবুয়ত পান। আমি জানতে চাচ্ছি আসলে কোন সঠিক সমাধান কি? আর জগৎ কতগুলি? ৫টা না তার কম বেশি।

উত্তর

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। একটি হাদীসের ভুল ব্যাখার কারণে এই নিয়ে কিছুটা জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। মূলত এটা কোন জটিল বিষয় নয়। এবং এ নিয়ে চিন্তা করা মূমিনের কাজও নয়। হাদীসটি হলো, عن أبي هريرة قال قالوا : يا رسول الله متى وجبت لك النبوة ؟ قال وآدم بين الروح والجسد অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, কখন আপনার জন্য নবুওয়াত সাব্যস্ত হয়েছে? তিনি বলেন, তখন আদাম শরীর ও রুহ এর মাঝে ছিল। (অর্থাৎ তখনো আদম আ. কে সৃষ্টি করা হয় নি)। জামে তিরমিযী, হাদীস নং ৩৬০৯। হাদীসটি সহীহ। হাদীসে যেটা বলা হয়েছে সেটা ছিল আল্লাহ তায়াল নির্ধারন সংক্রান্ত রুহের জগতের বিষয়, দুনিয়ার বিষয় নয়। রুহের জগতে আমাদের সবাইকে প্রশ্ন করা হয়েছিল,তার মানে এই নয় যে, তখন আমাদের জন্ম হয়েছিল। সুতরাং এটা বলা যাবে না যে, রাসূলুল্লাহ সা. তখনই নবুওয়াত পেয়েছিলেন বরং তাঁর জন্য নবুওয়াত আল্লাহ নির্ধারন করেছিলেন আর দুনিয়াতে জন্ম নেয়ার পর ৪০ বছর বয়সে নবুওয়াত পেয়েছিলেন। বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে জগতের সংখ্যা বিভিন্ন হতে পারে, এই নিয়ে চিন্ত করা নিস্প্রয়োজন।