As-Sunnah Trust

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি

প্রশ্নোত্তর 5731

প্রশ্ন

আস্সালামু আলাইকুম আমার একটা প্রশ্ন ছিল । আমরা নামাযে সুরা ফাতেহার পর অন্য সুরাহ মিলিয়ে পড়ি। হাদিসে পেয়েছি কমপক্ষে ৩ আয়াত পড়া যায়। আমি কি ফাতেহার পর কুরআনে বর্নিত দোয়ার আয়াত গুলো কি পড়তে পারবো? কারন যেহেতু সালাত হলো আল্লাহর কাছে কিছু চাওয়া পাওয়ার দরখাস্ত তাই যেসব আয়াত আল্লাহ পাক নবীজি সাঃ কে এড্রেস করেছেন, অথবা পাপীদের বর্ননা দিয়েছেন, অথবা বিভিন্ন বিধি বিধান উল্লেখ করেছেন, সেগুলো কেন আমরা আল্লাহকে পূনরায় বলতে যাবো? এসব আয়াতে আমাদের ইচ্ছা আখাঙ্খার কিছুই প্রতিফলিত হয় না । তবে যেসব আয়াতের মাধ্যমে নবী রাসূল গন সাহায্য প্রার্থনা করতেন সেগুলো পড়া কি উত্তম নয়? কারন আল্লাহ পাক বলেছেন, নামাজের মাধ্যমে তোমরা সাহায্যে চাও। ধনবাদ

উত্তর

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। নামাযের মধ্যে কুরআন পড়তে হবে। কুরআনের যেখান থেকে ইচ্ছা পড়তে পারেন। সূরা ফাতিহার মধ্যে চাওয়ার বিষয় অনেক কিছু আছে। পরবর্তীতে আপনি কুরআনের যে কোন স্থান থেকে পড়তে পারেন। বিধি বিধান এবং চাওয়ার আয়াত কুরআন হিসেবে সব সমান। যা ইচ্ছা পড়া যায়। রাসূলুল্লাহ সা. বিধি বিধানের আয়াতগুলো, সূরাগুলো নামাযে পড়ছেন, সুতরাং পড়তে কোন সমস্যা নেই। চাওয়ার আয়তগুলো পড়া উত্তমও নয়, সব সমান। ইসলাম শিখতে হবে রাসূলুল্লাহ সা. থেকে, নিজের বিবেক বুদ্ধি সব সময় সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। রাসূলুল্লাহ সা. চাওয়ার আয়াতগুলো পড়াকে উত্তম বলেন নি। নামাযের মধ্যে চাওয়ার আরো অনেক জায়গা আছে, সাজদা আছে, শেষ বৈঠকে দুআ করার সুযোগ আছে। সুতরাং নামাযে কুরআন পড়ার সময় শুধু দুআর আয়াত পড়তে হবে, বিষয়টি এমন নয়।