As-Sunnah Trust

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি

প্রশ্নোত্তর 2499

প্রশ্ন

আসসালামু আলাইকুম। মুহতারাম,

১। বিশেষ কোন মাসনুন দোয়া নির্দিষ্ট সংখ্যায় পড়লে ফযিলত জেনে, দোয়া পাঠের সময় দোয়ার মাঝখাণে অন্য কাজ করে আবার বাকি সংখ্যায় পড়া শেষ করলে কী নির্ধারিত ফযিলত আসা করা যায়

২। আমি এতদিন জেনে এসেছি যে, উযু/গোসল করার পর লজ্জাস্থানে (অনাবৃত) অনিচ্ছাকৃত হাত লেগে গেলে উযু ভাঙ্গেনা । এক্ষেত্রে সম্ভবত দলিল হচ্ছে, তালিক ইবনে আলি রাজিয়াল্লাহুআনহু-এঁর হাদিস। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করেছিলেন যে, সালাতরত অবস্থায় কোন ব্যাক্তির পুরুষাঙ্গে স্পর্শ লাগলে ঐ ব্যাক্তিকে আর উযু করতে হবে কী না । রাসূলুল্লাহ্সা ল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন যে, না এটা তাঁর শরীরেরই অংশ । কিন্তু সালেহ আল-মুনাজ্জিদ- এঁর www.islamqa.info-তে দেখলাম লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে উযু ভাঙ্গে। তিনি দলিল দিচ্ছেন বুসরা বিনতে সাফওয়ান রাজিয়াল্লাহু আনহু-এঁর হাদিস।তিনি রাসূলুল্লাহ্সা ল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন যে: যে ব্যক্তি তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করেছে তার উচিত ওজু করা। [সুনানে আবু দাউদ, তাহারাত অধ্যায়/১৫৪), আলবানী সহিহ সুনানে আবু দাউদ গ্রন্থে (১৬৬) বলেছেন: সহিহ] এমনকি শাইখ ইবনে বাজ-এঁর ফতোয়াতে (<a href=\”\\\”>alifta.net</a>) বলা হচ্ছে যে, উযু করে গোসল শুরু করার পর যদি গোসলের কোন এক সময় লজ্জাস্থানে স্পর্শ লাগে তবে আবার উযু করতে হবে। এ ব্যপারে আপনার মতামত পেলে উপকৃত হব, ইনশাআল্লাহ্।

উত্তর

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ১। আশা করা যায় ফজিলত পাবেন। ২। ভাই, সহীহ হাদীসের ভিত্তিতে এই বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে। তবে লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযু না ভাঙ্গার মতটিই শক্তিশালী বলে মনে হয়।