As-Sunnah Trust

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি

প্রশ্নোত্তর 20

প্রশ্ন

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। মুহতারাম, ঈদের নামায সহীহ হওয়ার জন্য ঈদের মাঠ ওয়াক্ফ হওয়া শতী কিনা? কুরআনের হাদীসের আলোকে জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

উত্তর

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। উক্ত ঈদের মাঠে ঈদের নামাজ সহীহ হবে। ঈদগাহের জন্য ওয়াক্বফকৃত জমি হওয়া শর্ত নয় বরং ব্যক্তি মালিকানায় রয়েছে এমন জমিতেও ঈদের নামাজ আদায় হবে। আর ঈদগাহ ওয়াক্বফকৃত হোক বা না হোক উভয় অবস্থায় নামাজের সাওয়াবের মধ্যে কোন কম বেশি হবে না। প্রমাণ جاء في بفتح الباري (2/44كتاب العيدين)عن أبي سعيد الخدري قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يخرج يوم الفطر والأضحى إلى المصلى فأول شيئ يبدأ به الصلاة …إلخ . ঈদগাহের জন্য জমি ওয়াক্বফ শর্ত নয়ঃ সাধারণভাবে যে সকল শর্ত পাওয়া গেলে জুমআর সালাত ওয়াজীব হয় সে সকল শর্ত পাওয়া গেলে ঈদের সালাতও ওয়াজীব হয়। যেমন ঈদের সালাত এমন স্থানে আদায় করতে হবে, যেখানে সকলের প্রবেশ করার সাধারণ অনুমতি রয়েছে। তবে ঈদগাহের জমি ওয়াক্বফ হওয়া শর্ত নয় বরং মালিকানাধীন জায়গায় মালিকের অনুমতিতে ঈদের সালাত আদায় করা বৈধ হবে। (ফতুয়ায়ে মাহমুদিয়া, ১২/৪৭৭-৪৭৮) এমনকি ঈদগাহ ব্যতীত যে কোন সাধারণ মাঠেও ঈদের সালাত আদায় করা বৈধ। সরকারী মাঠে সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে ঈদের সালাত আদায় করা যাবে। (ফতুয়ায়ে মাহমুদিয়া, ১২/৪৮২-৪৮৩) ঈদগাহের জমি ওয়াক্বফ হওয়া না হওয়ার পার্থক্যঃ ঈদগাহের জমি ওয়াক্বফ হওয়া না হওয়ার পার্থক্য হল, ওয়াক্বফিয়া ঈদগাহে কোন হস্তক্ষেপ বৈধ নয়। পক্ষান্তরে ঈদগাহ ওয়াক্বফ করা না হলে ঈদগাহ স্থানান্তর করে উক্ত জায়গাকে মসজিদ, মাদরাসা বা যে কোন কাজে মালিক ব্যবহার করতে পারবে। তবে ঈদগাহের জমি ওয়াক্বফিয়া হওয়া না হওয়ার সাথে ঈদের সালাতের সাওয়াবের কোন তারতম্য হবে না। (ফতুয়ায়ে মাহমুদিয়া, ১২/৫১৪)