As-Sunnah Trust

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি

প্রশ্নোত্তর 1011

প্রশ্ন

আসসালামুয়ালাইকুম। আমি বিতর নামাজ প্রথমে ২ রাকাত পড়ে সালাম ফিরে পরে ১ রাকাত পড়ি। ১ রাকাতে সূরা ফাতিহা এবং অন্য সুরার পর পরই দোয়া কুনুত রুকুর আগে পড়ি। এখন মনে হচ্ছে যে অন্য সূরা এবং দোয়া কুনুত একই সূরা। মাজখানে তাকবির বা বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম পড়ি না। আমার নিয়ম কি ঠিক আছে? আমার প্রশ্ন নিচে দেওয়া হল। বিতর নামাজে দোয়া কুনুত পড়তে ভুলে গেলে কি সাহু সিজদা দিতে হবে? দোয়া কুনুত পড়ার আগে কি বিসমিল্লাহির রাহ মানির রাহিম পড়তে হবে? দোয়া কুনুত পড়ার আগে (ফাতিহা+অন্য সুরার পর পরই) আল্লাহু-আকবর বলতে হবে? আল্লাহু-আকবর বলে প্রচলিত নিয়ম অনুযাই হাত তুলতে হবে?

উত্তর

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কোন আমলই না জেনে করা আমারদের জন্য ভাল কাজ নয়। আমল করার অগে আমাদের উচিৎ বিষয়টি সম্পর্কে জ্ঞাত ব্যক্তির নিকট থেকে জেনে নেয়া। এবার আপনার প্রশ্নে আসি। ১. হ্যাঁ, সাজদায়ে সাহু ওয়াজি হবে। ২. না, পড়তে হয় না। ৩. হ্যাঁ, আল্লাহু আকবার বলতে হবে। ৪. প্রচলিত নিয়মে তুললেও সহীহ হবে। আবার ভিন্ন নিয়মও আছে। তাকবীর দিয়ে কুনুত পড়ার বিষয়ে হাদীসটি লক্ষ্য করুন, كَانَ عَبْدُ اللهِ لَا يَقْنُتُ إِلَّا فِي الْوِتْرِ، وَكَانَ يَقْنُتُ قَبْلَ الرُّكُوعِ، يُكَبِّرُ إِذَا فَرَغَ مِنْ قِرَاءَتِهِ حِينَ يَقْنُتُ অর্থ: আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. শুধু বিতরের সালাতেই কুনুত পড়তেন। আর তিনি রুকুর পূর্বে কুনুত পড়তেন। যখন কুরআন পড়া শেষ করতেন তখন তাকবীর দিয়ে কুনুত পড়তেন। শরহে মুশকিলিল আছার, হাদীস নং ৪৫০৪, ১১/৩৭৪। মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাতে (হাদীস নং ৭০২১)ভিন্ন সনদে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে অনুরুপ বর্ণিত আছে। উভয় হাদীসের সনদে দূর্বলতা আছে। তবে দ্বিতীয় হাদীসটি প্রথম হাদীসের বক্তব্যকে সমর্থন করায় শায়খ শুয়াইব আর নাউত প্রথম হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। দেখুন: শরহে মুশকিলিল আছার, ১১/৩৭৪। এই হাদীসে আমরা দেখছি সাহবী ইবনে মাসউদ কুনুত পড়ার পূর্বে তাকবীর দিতেন। বিতর পড়ার বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে দেখুন রাহে বেলায়াত গ্রন্থের বিতর সম্পর্কীত আলোচনা। এছাড়াও আমাদের দেয়া 0153 এবং 0105 নং প্রশ্নের উত্তর দেখতে পারেন।