ঈদে মিলাদুন্নবী

(8 customer reviews)
৳ 40.00 ৳ 24.00

সাহাবায়ে কেরাম আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সা. এর প্রতি ভক্তি, ভালবাসা ও তা’যীমের সর্বোত্তম আদর্শ শিক্ষাদান করেছেন। তাঁরা প্রত্যেকে জীবনের প্রতিটি ক্ষণে সাধ্যমত রাসূলুল্লাহ সা. এর জীবন, কর্ম, আকৃতি, প্রকৃতি চিন্তা করতেন, তাঁর উপর সালাত ও সালাম পাঠ করতেন। তাঁরা সুযোগ পেলেই কয়েকজন একত্রিত হয়ে রাসুলুল্লাহ সা. এর জীবনী, সুন্নাত, সীরাত, শামাইল, তাঁর আকৃতি-প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করতে ভালবাসতেন। আমাদেরও দায়িত্ব হলো সুযোগ ও আবেগ মতো যত বেশি সম্ভব রাসূলুল্লাহ সা. এর জীবন কেন্দ্রিক মাহফিল ও মজলিস কায়েম করা। রাসূলুল্লাহ সা. কেন্দ্রিক যে কোনো আলোচনা তাঁর প্রতি আমাদের মহব্বত বৃদ্ধি করবে, যা আমাদের ঈমানের অন্যতম অংশ। এছাড়া আমাদের জীবনে আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নিয়ামত তাঁর মহান নবীর উম্মত হওয়ার সৌভাগ্য। এগুলো সর্বদা আলোচনা করা ও শুকরিয়া জানানো আমাদের একান্ত প্রয়োজন।

235 টি স্টক এ আছে

এসকেইউঃ EM032 ক্যাটাগরি
লেখক: ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর

আবু কাতাদা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. কে সোমবার দিন রোযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়। তিনি বলেন “এই দিনে আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এই দিনেই আমি নবুয়্যত পেয়েছি।” রাসূলুল্লাহ সা. এর জন্ম নিঃসন্দেহে উম্মাতের জন্য মহা আনন্দের বিষয়। তবে এ আনন্দ প্রকাশ যদি রাসূলুল্লাহ সা. ও তাঁর সাহাবীগণের সুন্নাত অনুসারে হয় তাহলে তাতে সাওয়াব হবে।

রাসূলুল্লাহ সা. এর মীলাদ

বা জন্মে আমাদের আনন্দ রাসূলুল্লাহ সা. ও তাঁর সাহাবীগণের সুন্নাত অনুসারে করতে পারলে আমরা এতে অফুরন্ত সাওয়াব ও বরকত লাভ করতে পারব। মীলাদ পালনের সুন্নাত পদ্ধতি হলো প্রতি সোমবার সিয়াম পালনের মাধ্যমে আল্লাহর দবরারে শুকরিয়া জানানো। রাসূলুল্লাহ সা. নিজে আমাদের এ পদ্ধতি শিখিয়েছেন।

এ ছাড়া আমরা দেখেছি

যে, মূসা (আ) ও পরবর্তীকালে রাসূলুল্লাহ সা. আশূরার দিন সিয়াম পালন করেছেন। রাসূলুল্লাহ সা. এর মীলাদ বা জন্মে আনন্দ প্রকাশের দ্বিতীয় সুন্নাত পদ্ধতি হলো সর্বদা তাঁর উপর দরুদ ও সালাম পাঠ করা। তিনি আমাদের জন্য যা করেছেন আমরা জীবন বিলিয়ে দিলেও তাঁর সামান্যতম প্রতিদান দিতে পারব না, কারণ আমরা হয়ত আমাদের পার্থিব সংক্ষিপ্ত জীবনটা বিলিয়ে দিলাম, কিন্তু তিনি তো আমাদের পার্থিব ও পারলৌকিক অনন্ত জীবনের সফলতার পথ দেখাতে তাঁর মহান জীবনকে উৎসর্গ করেছেন।

তাই রাসূলুল্লাহ সা. এর প্রতি আমাদের নূন্যতম দায়িত্ব যে আমরা সর্বদা তাঁর জন্য সালাত ও সালাম পাঠ করব। আল্লাহর যিক্র ও সালাত সালামের জন্য ওযু করা শর্ত নয়, তবে তা উত্তম। বসে, শুয়ে, দাঁড়িয়ে, হাঁটতে হাঁটতে, ওযুসহ বা ওযুছাড়া সর্বাবস্থায় সালাত-সালাম পাঠ করতে হবে।

বিভিন্ন সহীহ হাদীস থেকে জানা যায় যে, একবার সালাত পাঠ করলে বান্দা নিম্নের সাত প্রকার পুরস্কার লাভ করে: একবার দরুদ পাঠ করলে
(১) মহান আল্লাহ দরুদ পাঠকারীর দশটি গোনাহ ক্ষমা করেন
(২) দশটি সাওয়াব দান করেন
(৩) দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন
(৪) দশটি রহমত দান করেন
(৫) ফিরিশতাগণ তার জন্য দু‘আ করতে থাকেন
(৬) ফিরিশতাগণ পাঠকারীর নাম ও তার পিতার নামসহ তার সালাত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র রাওযায় পৌঁছে দেন
(৭) তিনি নিজে এবার সালাত পাঠকারীর জন্য ১০ বার দুআ করেন। বেশি বেশি সালাত পাঠকারীর জন্য রয়েছে অতিরিক্ত দুটি পুরস্কার: প্রথমত আল্লাহ তার সমস্যা ও দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দিবেন এবং দ্বিতীয়ত: রাসূলুল্লাহ (সা.) এর শাফায়াত তাঁর পাওনা হবে।সালাতের সাথে সাথে সালাম পাঠ করতে হবে।…

প্রকাশনা

আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স

লেখকঃ

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)

আইএসবিএনঃ

978-984-93282-9-2

8 reviews for ঈদে মিলাদুন্নবী

  1. MOHAMMAD DIDARUL Islam

    5 Star

  2. MD. Ahad Siddique

    5 Star

  3. Md. Mujahidul Islam

    5 Star

  4. MD Shayed HASAN

    খুবই ভালো সার্ভিস। ঢাকায় মাত্র 3 দিনেই ডেলিভারি পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।

  5. Shahid Mahmud

    Really helpful Kitab.

  6. Md Monirul Islam

    5 Star

  7. Md. Khorshed Alam

    5 Star

  8. Mahdi Bin Masud

    5 Star

Average Rating

5.00

8 Review
5 Star
100%
4 Star
0%
3 Star
0%
2 Star
0%
1 Star
0%
Add a review

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।