রাহে বেলায়াত

কুরআন-হাদীসের আলোকে আমরা দেখি যে, বিশুদ্ধ ঈমান ও পরিপূর্ণ তাকওয়া বা মহান আল্লাহর নিষেধকৃত সকল বিষয় বর্জনই তাযকিয়ায়ে নাফ্স বা আত্মশুদ্ধি এবং বেলায়াত বা আল্লাহর নৈকট্য ও প্রেমের পথ। হাদীস শরীফে আল্লাহর বেলায়াত বা নৈকট্যের পথের কর্মকে দুভাগ করা হয়েছে: ফরয ও নফল।

দৈনন্দিন মাসনূন দুআ ও যিকর

অনেক দ্বীনদার মানুষ চান সংক্ষিপ্তাকারে কিছু মাসনূন যিকির ও দুআর একটি ক্ষুদ্র সংস্করণ, যা সবসময় নিজের সাথে বহন করা যাবে। তাদের আগ্রহ ও চাহিদার দিক বিবেচনা করেই মূলত সংক্ষিপ্ত এ পুস্তিকাটি সঙ্কলন করা হয়েছে। এই পুস্তিকার সকল তথ্য ও ‘রাহে বেলায়াত’ এবং ‘সহীহ মাসনূন ওযীফা’ গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

সালাত, দু’আ ও যিকর

আমরা সালাতকে মহান রবের বেলায়াতের মূল মাধ্যম বানিয়ে ফেলি। অত্র গ্রন্থে আমরা সালাতের ফিকহী বিষয়গুলো অতি সংক্ষেপে এবং সালাতের খুশু বা বিনম্রতা-একাগ্রতা, যিক্র ও দু‘আর বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা করতে চাই। মহান আল্লাহর তাওফিক প্রার্থনা করছি।

এহ্ইয়াউস সুনান

এখন এ অবস্থাকে রাসূলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর সাহাবীদের অবস্থার সাথে তুলনা করুন। তাঁরা কেউ গানের মাহফিল করেননি, গান শুনে নাচেননি, অজ্ঞান হয়ে পড়েননি। তাহলে কি তাঁরা আল্লাহর প্রেমে অনগ্রসর ছিলেন? এখানেই সুন্নী হৃদয়ের সমস্যা। যখনই কোনো বরেণ্য সাধক বা আলিম সম্পর্কে বলা হয় তিনি ভক্তিমূলক গান গযল শুনে বেহাল হয়েছেন, বা জ্ঞান হারিয়েছেন তখনই সুন্নী হৃদয়ে প্রশ্ন জাগে রাসূলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর সাহাবীরা কী করতেন?

হাদীসের নামে জালিয়াতি

হাদীসের নামে জালিয়াতির প্রচেষ্টা সেই প্রাচীন যুগ থেকেই অব্যাহত রয়েছে। অপরদিকে সাহাবীগণের যুগ থেকেই মুসলিমগণ হাদীসের নামে সকল প্রকার মিথ্যা ও জালিয়াতি প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিয়েছেন। মুসলিম উম্মাহর প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিসগণ সকল জাল হাদীস চিহ্নিত করেছেন। কিন্তু এ বিষয়ক সঠিক জ্ঞানের অভাবে অনেক আলিম বা নেককার মানুষও না জেনে অনেক জাল হাদীস বলেন, প্রচার করেন বা লিখেন।

যুগের মহান দাঈ ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)

উম্মাহর দরদি অভিভাবক মুহিউস সুন্নাহ ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ রাহ.-এর ইন্তিকালের পাঁচ বছর পর তাঁর এই জীবনী গ্রন্থটি লিখেছেন আবাসে-প্রবাসে তাঁর দীর্ঘদিনের সান্নিধ্যধন্য আস সুন্নাহ ট্রাস্টের সেক্রেটারি জনাব আব্দুর রহমান।

জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খণ্ড)

প্রশ্ন-০৫: রমাযান মাসে রোযা রেখে নখ-চুল কি কাটা যাবে?
উত্তর: বোন, উত্তর দেয়ার আগে একটু পেছনে যাই। রমাযানের রোযা কেন নষ্ট হয়! ইবাদত তো আপনার জন্য। আপনি যেন ইবাদতের মাধ্যমে সুন্দর মানুষ হন। আল্লাহ তাআলা পানাহার নিষেধ করেছেন। কাজেই পানাহার নয় এমন সবই করা যায়। নখ-চুল শুধু না, একটা হাত কেটে গেলেও রোযার কোনো ক্ষতি হবে না। আমরা অনেক সময় মনে করি, রক্ত বেরিয়ে গেলে রোযার ক্ষতি হয়। আসলে কিন্তু তা নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযা অবস্থায় নিজে চিকিৎসার জন্য শরীর ছিদ্র করে হিযামা (শিঙ্গা লাগিয়েছেন) করেছেন। কাজেই আমাদের বুঝতে হবে, রক্ত বেরোলেও রোযা ভাঙে না, ইঞ্জেকশন নিলেও রোযা ভাঙে না। নখ-চুল কাটলে তো রোযা ভাঙার প্রশ্নই আসে না। রোযার কোনো ক্ষতিও হয় না।

জিজ্ঞাসা ও জবাব (২ খণ্ড)

প্রশ্ন-১১: আমাদের দেশে যে…পীর সাহেব আছেন, ওরা যে কথাটা বলেছে যে, পীরের মাধ্যমে না হলে ইবাদত-বন্দেগি আল্লাহর কাছে পৌঁছে না। দুইটা থানার লোক একই ধরনের কথা বলছে, আপনারা যেভাবে বলছেন, খুব সুন্দর পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু এই পরামর্শ তারা মানছে না। চ্যানেল আই এটা প্রচারণা করে। জাহাঙ্গীর সাহেবের মতো একজন বড় আলিম, আপনারা এটা নিয়ে বসে সমাধান করতে পারছেন না? আমি এই ব্যাপারটা জানতে চাচ্ছি।

জিজ্ঞাসা ও জবাব (৩ খণ্ড)

প্রশ্ন-৪২৩: সূরা ফাতিহা বা মধুর মাধ্যমে রোগের শিফা আছে কি না? কুরআন বা হাদীসে এই বিষয়ে কিছু আছে?

জিজ্ঞাসা ও জবাব ৪র্থ খন্ড

প্রশ্ন: ০৬। ঢাকা দেওয়ানবাগ দরবার শরীফের একজন খলীফা, সে নবী করিম (সা.) এর ছবি, হুসাইন রা.এর ছবি, উনার মেয়ের ছবি, আমার এক কলিগের কাছে দিয়েছে। আসলে এটা কতটুকু সত্য?

জিজ্ঞাসা ও জবাব ৫ম খণ্ড

প্রশংসা আল্লাহর এবং সালাত ও সালাম আমাদের নবী মুহাম্মাদ সা. তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবিদের উপর। ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহিমাহুল্লাহ তাঁর জীবদ্দশায় বিভিন্ন মাহফিলে ও টিভি চ্যানেলে বহু মানুষের যুগজিজ্ঞাসার জবাব কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে প্রদান করেছেন। তাঁর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল যে, তিনি মাহফিলগুলো ভিডিও ক্যাসেটবদ্ধ করতেন। ফলে তাঁর প্রশ্নোত্তর ও বক্তিতা যেমন সংরক্ষিত রয়েছে; তেমনি তা সংযোজন ও বিয়োজনের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

ইযহারুল হক (১ম খণ্ড)

বইটি প্রকাশিত হবার কিছুদিন পরেই লন্ডন টাইমস পত্রিকায় মন্তব্যে বলা হয়, “মানুষ যদি এ গ্রন্থটি পড়া অব্যাহত রাখে, তবে দুনিয়ায় খ্রিস্টধর্মের উন্নতি ও প্রসার বন্ধ হয়ে যাবে”
প্রচলিত খ্রিস্টধর্মের অসারতা ও বাইবেলের বিকৃতি নিয়ে রচিত অনবদ্য গ্রন্থটি আসসুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে বাজারে আসবে, ইনশাআল্লাহ।

ইযহারুল হক (২য় খণ্ড)

১৮২৯ সালে খ্রিস্ট ধর্মীয় প্রচারক মি. কার্ল গােটালেব ফান্ডার খ্রিস্টান পাদরিদের গতানুগতিক মিথ্যাচার, বিকৃতি, অপপ্রচার ও বিষেদাগার সম্বলিত মীযানুল হক (Scale of Truth) নামক একটি গ্রন্থ রচনা করেন। মূল গ্রন্থটি জার্মান ভাষায় রচিত হলেও তা উর্দু ও ফারসি ভাষায় অনুবাদ করে এ উপমহাদেশের মুসলমানদের মাঝে ব্যাপক প্রচারণা চালানাে হয়। এমনকি তারা এটাও দাবি করতে থাকে যে, এ গ্রন্থের যুক্তিগুলাে খণ্ডন করার সাধ্য কোনো মুসলমান আলিমের নেই। এসময় আল্লামা রাহমাতুল্লাহ কিরানবী মিশনারিদের এই অপতৎপরতার জবাবে এগিয়ে আসেন। তিনি মীযানুল হক এর জবাবে ইযহারুল হক (সত্যের বিজয়) গ্রন্থটি রচনা করেন।
বইটি প্রকাশিত হবার কিছুদিন পরেই লন্ডন টাইমস পত্রিকায় বলা হয়, “মানুষ যদি এ গ্রন্থটি পড়া অব্যাহত রাখে, তবে দুনিয়ায় খ্রিস্টধর্মের উন্নতি ও প্রসার বন্ধ হয়ে যাবে”। এই কালজয়ী বইটা অনুবাদ করেছেন, শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহ.। ঈসায়িয়্যাত নিয়ে কাজ করা লেখক, গবেষক, দায়ীদের জন্য বইটা উত্তম পাথেয় হবে বলে আমরা মনে করি।

ইযহারুল হক (৩য় খণ্ড)

১৮২৯ সালে খ্রিস্ট ধর্মীয় প্রচারক মি. কার্ল গােটালেব ফান্ডার খ্রিস্টান পাদরিদের গতানুগতিক মিথ্যাচার, বিকৃতি, অপপ্রচার ও বিষেদাগার সম্বলিত মীযানুল হক (Scale of Truth) নামক একটি গ্রন্থ রচনা করেন। মূল গ্রন্থটি জার্মান ভাষায় রচিত হলেও তা উর্দু ও ফারসি ভাষায় অনুবাদ করে এ উপমহাদেশের মুসলমানদের মাঝে ব্যাপক প্রচারণা চালানাে হয়। এমনকি তারা এটাও দাবি করতে থাকে যে, এ গ্রন্থের যুক্তিগুলাে খণ্ডন করার সাধ্য কোনো মুসলমান আলিমের নেই। এসময় আল্লামা রাহমাতুল্লাহ কিরানবী মিশনারিদের এই অপতৎপরতার জবাবে এগিয়ে আসেন। তিনি মীযানুল হক এর জবাবে ইযহারুল হক (সত্যের বিজয়) গ্রন্থটি রচনা করেন।
বইটি প্রকাশিত হবার কিছুদিন পরেই লন্ডন টাইমস পত্রিকায় বলা হয়, “মানুষ যদি এ গ্রন্থটি পড়া অব্যাহত রাখে, তবে দুনিয়ায় খ্রিস্টধর্মের উন্নতি ও প্রসার বন্ধ হয়ে যাবে”। এই কালজয়ী বইটা অনুবাদ করেছেন, শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহ.। ঈসায়িয়্যাত নিয়ে কাজ করা লেখক, গবেষক, দায়ীদের জন্য বইটা উত্তম পাথেয় হবে বলে আমরা মনে করি।

ফিকহুস সুনানি ওয়াল আসার ১ম খণ্ড

প্রকাশিতব্য প্রথম খণ্ডে আলোচিত হয়েছে, সামগ্রিক মূলনীতিসমূহ, পবিত্রতা এবং সালাত (মুসাফিরের সালাত অধ্যায় পর্যন্ত) নিয়ে সর্বমোট ৯৪৬ টা হাদীস।
আমরা আশা করি, বাংলাভাষায় হাদীসচর্চা, হাদীসভিত্তিক তুলনামূলক ফিকহ ও হানাফি ফিকহের দালিলিক চর্চায় গ্রন্থটি ভূমিকা রাখবে।

ফিকহুস সুনানি ওয়াল আসার ২য় খণ্ড

দ্বিতীয় খণ্ডে আলোচিত হয়েছে সালাতুল জুমআ, দুই ঈদের সালাত,সূর্য গ্রহণের সালাত, বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত, ভীতিকালীন সালাত, অসুস্থ ব্যক্তির সালাত, চিকিৎসা ও ঝাড়ফুক, মৃত্যু ও জানায, যাকাত, হজ্জ বিষয়ক সর্বমোট ৯১৪ টা হাদীস (৯৪৭ থেকে ১৮৬১ পর্যন্ত)।
আমরা আশা করি, বাংলাভাষায় হাদীসচর্চা, হাদীসভিত্তিক তুলনামূলক ফিকহ ও হানাফি ফিকহের দালীলিক চর্চায় গ্রন্থটি ভূমিকা রাখবে।

ফিকহুস সুনানি ওয়াল আসার ৩য় খণ্ড

তৃতীয় বা শেষ খণ্ডে আলোচিত হয়েছে জিহাদ, খিলাফাত, ব্যবসা, মুদারাবা, কুরবানী, ইহসান ইত্যাদি বিষয়ক সর্বমোট ৮৪৮ টা হাদীস (১৮৬২ থেকে ২৭১০ পর্যন্ত)।
আমরা আশা করি, বাংলাভাষায় হাদীসচর্চা, হাদীসভিত্তিক তুলনামূলক ফিকহ ও হানাফি ফিকহের দালীলিক চর্চায় গ্রন্থটি ভূমিকা রাখবে।

সকল বই একসাথে অর্ডার করুন!

আমরা সালাতকে মহান রবের বেলায়াতের মূল মাধ্যম বানিয়ে ফেলি।

ASSUNNAH

50% discount on books.

নিয়মিত আমাদের সাথে থাকতে ও আপডেট পেতে সাবসক্রাইব করুন।

6 + 12 =

0
    0
    আপনার ঝুড়ি
    আপনার ঝুড়ি খালিআবার বই খুজুন